Bengal STF alleges an arrested JeM operative planned to infiltrate a Jantar Mantar protest in police uniform, sparking a major security probe. ahead..
STF-এর আইজি গৌরব শর্মার দাবি, হামিম মণ্ডলকে একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিক্ষোভস্থলে প্রবেশের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে আরও জানা গেছে, তিনি পাকিস্তানভিত্তিক হ্যান্ডলারদের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের গতিবিধির ওপরও নজরদারি চালাচ্ছিলেন।
গত শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিমকে গ্রেফতার করে কলকাতায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে STF। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁর মোবাইল ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। "রানা", "আবির", "হাবিব" এবং "৩৩৩" নামে পরিচিত কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্যও সামনে এসেছে। এছাড়া যুক্তরাজ্য ও মেক্সিকো থেকে ইস্যু হওয়া আন্তর্জাতিক সিম কার্ডও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।
এই মামলায় হামিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বান্ধবী অর্পিতা সরকারকেও গ্রেফতার করেছে STF। তদন্তকারীদের অভিযোগ, পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের নির্দেশে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের এক মন্ত্রীর ছেলেকে হানি-ট্র্যাপে ফাঁসিয়ে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেছিলেন। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করাই ছিল এই চক্রের উদ্দেশ্য বলে দাবি তদন্তকারীদের।
STF সূত্রে জানা গেছে, ২৩ বছরের হামিম মণ্ডল আগে হাওড়ার পিলখানায় থাকতেন এবং ইউনিফর্ম সেলাইয়ের কাজ করতেন। পরে পিলখানায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে তিনি পূর্ব বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে উঠে যান এবং গত কয়েক মাস ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
তদন্তকারীদের আরও দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যেখানে তুলনামূলক কম নিরাপত্তায় থাকতে পারেন, সেই ধরনের স্থান ও কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বও হামিমকে দেওয়া হয়েছিল।
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কেউ রয়েছে কি না এবং পাকিস্তান-যোগের বিস্তৃতি কতদূর, তা খতিয়ে দেখছে পশ্চিমবঙ্গ STF।
বিঃদ্রঃ তদন্তকারী সংস্থার তরফে এই অভিযোগগুলি করা হয়েছে। মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলমান এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের আইনত দোষী বলা যায় না।

COMMENTS